রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ভিটামিন সি সবার মনোযোগ আকর্ষণ করে। এই অপরিহার্য পুষ্টি উপাদানের সাথে সাধারণত যেসব ফলের নাম যুক্ত, তার মধ্যে পেয়ারা এবং কমলার নামই প্রথমে আসে। দুটি ফলই সতেজকারক, সহজলভ্য এবং স্বাস্থ্যকর উপাদানে ভরপুর। তবুও, অনেকেই ভাবেন কোন ফলটি থেকে সত্যিই বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এই বিষয়টি বুঝতে পারলে আপনি আরও বিচক্ষণতার সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস বেছে নিতে পারবেন, বিশেষ করে যখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
দিনের শুরুতে শরীর সতেজ থাকলেও দিনের মাঝামাঝি সময়েই অনেকের ক্লান্তি ভর করে। পুষ্টিবিদদের মতে, এর পেছনে বড় কারণ হতে পারে আমাদের প্রতিদিনের কিছু পরিচিত খাবার। এসব খাবার প্রথমে দ্রুত শক্তি দিলেও পরে তা হঠাৎ কমে গিয়ে শরীরকে আরও অবসন্ন করে তোলে।
কিডনির ক্ষতি অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে না। ফলে অজান্তেই তা জটিল রূপ নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বা Chronic Kidney Disease-এ পরিণত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু সতর্ক সংকেত আগে থেকেই চিনতে পারলে কিডনি ফেইলিওরের মতো মারাত্মক পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।
চা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকাল শুরু হোক কিংবা বিকেলের ক্লান্তি দূর; এক কাপ চা যেন এক ধরনের প্রশান্তি। আর সেই চায়ের সঙ্গে বিস্কুট বা রস্ক না থাকলে যেন আড্ডাই জমে না। কিন্তু এই ছোট্ট অভ্যাসই অজান্তে বাড়িয়ে দিতে পারে রক্তে শর্করার মাত্রা। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রীষ্মের জনপ্রিয় রসালো ফল ফুটি স্বাদে মিষ্টি, শরীরকে রাখে সতেজ। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে যেকোনো ফল খাওয়ার আগে রক্তে শর্করার প্রভাব বিবেচনা করা জরুরি। তাই প্রশ্ন ওঠে ডায়াবেটিস থাকলে ফুটি খাওয়া কি নিরাপদ?
বুক বা গলায় জ্বালাপোড়া সাধারণত অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাসজনিত সমস্যার কারণে হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ নয়, সঠিক খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এন্ডোমেট্রিওসিস একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত সমস্যা, যেখানে জরায়ুর ভেতরের আস্তরণের মতো টিস্যু জরায়ুর বাইরে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শ্রোণি অঞ্চলে তীব্র ব্যথা, মাসিকের সময় অস্বস্তি, পেট ফাঁপা ও ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। চিকিৎসা অপরিহার্য হলেও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করা বহুদিনের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এতে যুক্ত হয়েছে নতুন এক ট্রেন্ড—পানিতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খাওয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ওয়েলনেস জগতে এই অভ্যাস দ্রুত জনপ্রিয়তা পেলেও, এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। ম্যাকুলার ডিজেনারেশন, ছানি ও অন্যান্য চোখের সমস্যার ঝুঁকিও তখন বেড়ে যায়। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে এসব সমস্যা অনেকাংশে প্রতিরোধ বা বিলম্বিত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্বে প্রতিনিয়ত নানা কারণে বাড়ছে বায়ুদূষণ। সেই কবলে রয়েছে বাংলাদেশও। বিশ্বে আজ অষ্টম অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। বাতাসের এ মান সূচকে ঢাকার বায়ুর স্কোর ১০৫। যা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত।
আমাদের সারা দিনের খাদ্য তালিকার দিকে তাকালে দেখা যাবে, সকাল থেকে রাত, প্রতি বেলার খাবার শর্করায় ভরপুর। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, টানা ৩০ দিন যদি এই শর্করা খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেন তবে আপনার শরীরে কী কী পরিবর্তন দেখা দিতে পারে? এক মাস সময়টি আসলে খুব দীর্ঘ না হলেও শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনগুলো বোঝার জন্য যথেষ্ট। এক মাস শর্করা না খেতে ওজন কমে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষুধা, শক্তি এবং হজমশক্তিতেও আসে লক্ষণীয় পরিবর্তন। জেনে নিন টানা এক মাস কম শর্করা বা লো-কার্ব ডায়েট করলে আপনার শরীরে ঠিক কী কী পরিবর্তন ঘটে।
দেশে তরুণদের মধ্যে ডায়াবেটিসের একটি বিশেষ ও তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত ধরন—ম্যাচিউরিটি অনসেট ডায়াবেটিস ইন ইয়াং (MODY)—নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে একটি নতুন গবেষণায়। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, সন্দেহভাজন তরুণ ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতি পাঁচজনের একজন এই বিশেষ ধরনের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।
সুস্থ শরীরের জন্য যেমন সুষম খাদ্য জরুরি, তেমনি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ঠিক রাখতে সঠিক খাবারের বিকল্প নেই। অনেকেই বুঝতে পারেন না—দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসই নির্ধারণ করে আমাদের স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ ও মানসিক স্বাস্থ্যের মান।
সকালের নাস্তা আমাদের সারাদিনের শক্তি, মনোযোগ এবং কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেকেই কফির মাধ্যমে দিন শুরু করলেও, স্বাস্থ্যসম্মত ও সহজপাচ্য খাবার হিসেবে ফলকে বেশি উপকারী মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে কলা এবং কমলা সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি পছন্দ।
ধূমপান হৃদরোগের অন্যতম প্রধান এবং প্রতিরোধযোগ্য কারণ হিসেবে বিবেচিত। নিয়মিত ধূমপানের ফলে রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়, শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায় এবং ধীরে ধীরে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তবে আশার কথা হলো, ধূমপান ছাড়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হৃৎপিণ্ড সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।