আজ (শনিবার, ২৫ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদরাসাগুলোর ফাজিল স্নাতক (পাস) ১ম, ২য় ও ৩য় /২০২৪ বর্ষের পরীক্ষা। প্রতিদিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। এবারের পরীক্ষায় সারাদেশের ৩৩০টি কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৬২৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন, জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আলী।
শিক্ষা উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ‘অসম্মানজনক আচরণের’ অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করেছে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক ঐক্যজোট। বুধবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতারা।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বাড়ি ভাতা ২০ শতাংশ বৃদ্ধির দাবিতে গতকাল সোমবার থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন। একই সঙ্গে দাবি আদায়ে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারকে দুই দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষকরা। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমপিওভুক্ত ও শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি জানান,
বেতনের ওপর ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়াসহ তিন দফা দাবিতে অনশন করছেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। ইতোমধ্যে অনশনরত ৪ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সভাপতি এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসাইন আজিজী এ তথ্য জানান।
০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মাদারীপুর জেলায় সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করেছেন মাদারীপুর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাইমুনা তাবাসসুম অর্পা। তিনি গোল্ডেন জিপিএ–৫ পেয়ে জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। তাঁর মোট প্রাপ্ত নম্বর ১১৯০।
টানা ৮ দিন আন্দোলনরত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন দুই হাজার টাকা হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের উপসচিব মরিয়ম মিতুর সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে। দাবির প্রতি সরকারের উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা আজ (রোববার) ‘ভূখা মিছিল’ নিয়ে শিক্ষা ভবনের দিকে পদযাত্রা করবেন। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
গ্রেড ও পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের দাবিতে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘আমরণ অনশন’ কর্মসূচি আপাতত স্থগিত করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি আনিসুর রহমান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানান, উপদেষ্টা ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা তাদের দাবি বাস্তবায়নে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন এবং পে কমিশনের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু হচ্ছে আজ। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিশ্চিতে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) থেকে আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। সম্প্রতি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবার গত ২১ বছরের মধ্যে নিম্ন পাসের হার। পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা তলানিতে নেমেছে। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ১৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইংরেজি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উচ্চতর গণিতে শিক্ষার্থীরা খারাপ করেছে। ফলে পাসের হার এবং জিপিএ-৫
ফলাফল প্রকাশের পর পঞ্চগড়ে দেখা গেল এক অপ্রত্যাশিত চিত্র—তিনটি কলেজে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেননি এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায়। শিক্ষকদের দাবি, বিয়ের পর পড়াশোনায় অনাগ্রহ আর শিক্ষক সংকটই এই ফলাফলের মূল কারণ।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, দীর্ঘ প্রস্তুতি ও নিবিড় মূল্যায়নের পর ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। সেই হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪ জন।
এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬১ জন। অর্থাৎ অনুপস্থিত ছিল ৩১ হাজার ৪৬৯ জন শিক্ষার্থী।