বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অনাস্থা এবং সংস্কারের দাবির মুখে এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের সাধারণ মা
এক ঘরমে দো পীর। একজন সৈয়দ ফয়জুল করিম। আরেকজন সৈয়দ রেজাউল করিম। দুই ভাইয়ের এক খানকা। সেই খানকায় বসেই ভারতের নীল নকশা অনুযায়ী তালেবানী ছবকে ইসলামপন্থীদের জোট ভাঙ্গার কলকাঠি নাড়ছে গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’। যার পরিনতিতে সম্ভাবনাময় নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারে জোটবদ্ধ ১১ দলীয় ইসলামী জোট থেকে ঝরে পড়লো চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
বিশ্বের পবিত্রতম পানির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে মক্কাস্থ জমজম কূপ। ইসলাম ধর্মে এই পানিকে বরকতময়, রোগ নিরাময়কারী এবং অলৌকিক গুণসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এই কূপের পানি শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণেও বিস্ময় জাগিয়েছে। হাজার হাজার বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে পানি সরবরাহ করে চলেছে জমজম কূপ।
গত ২৪ ডিসেম্বর আলজেরিয়ার জাতীয় পরিষদ ফ্রান্সের ১৩২ বছরের শাসনকালকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি 'রাষ্ট্রীয় অপরাধ' হিসেবে ঘোষণা করেছে। জাতীয় পরিষদে পাস হওয়া ঐতিহাসিক একটি আইনের মাধ্যমে, যা কেবল আইনি দলিল নয়, বরং এটি ফ্রান্সের সাথে দেশটির প্রায় দেড় শতাব্দীর তিক্ত সম্পর্কের ক্ষেত্রে
প্রশ্ন জাগে মনে—তাদের কী দাবি? সব দাবিই কি কেবল এই ব্যবসায়ীদের? ভোক্তা বা দেশের নাগরিকদের কি কোনো দাবি থাকতে পারে না? জনগণকে জিম্মি করে এভাবে দাবি আদায়ের নামে যারা আন্দোলন করে, তারা কি আসলেই ব্যবসায়ী, নাকি লুটেরা?
বিশ্বের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও যুদ্ধবাজ রাষ্ট্র, মানবতা ও মানবাধিকারের কথা বলে গলা ফাটালেও প্রকৃত অর্থে মানবতা ও মানবাধিকারের শত্রু বলেই বিশ্ববাসী মনে করে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’ নামক রাষ্ট্রটিকে। তাদের সামরিক আগ্রাসনে বারবার বিশ্ব বিপর্যস্ত হয়েছে। নিজেদের স্বার্থে তারা বহু রাষ্ট্রকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে ঐ সকল রাষ্ট্রগুলোতে লুটের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছে
মানুষ মাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু এরই মাঝে কিছু মৃত্যু পাহাড়ের চেয়েও ভারী মনে হয়। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুটাও অনেকটা তাই। গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে আগমন, দীর্ঘ নয় বছর স্বৈরাচারী সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন, আপসহীন দেশনেত্রীতে রূপান্তর, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়া, ১/১১-এর মইনউদ্দিন–ফখরুদ্দিনের সঙ্গে আপস না করে দেশের মাটিতে অবস্থান, বিগত প্রায় ১৭ বছর স্বৈরাচারী শাসকের প্রতিহিংসার
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে একটি বড় ধরনের প্যারাডাইম শিফট বা আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি স্পষ্ট যে, দিল্লি এখন বিএনপির প্রতি আস্থা রাখতে চাইছে। বিএনপি চেয়ারপারসন সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২০২৫ সালটি শেষ হলো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, জাতীয়তাবাদী শক্তির এক বটবৃক্ষ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকাল ও তাঁকে দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের চোখে পানিতে চিরবিদায়ের মাধ্যমে। ২৩ নভেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে উদ্বেগ বিরাজ করছিল।
র্তমান সময়ে প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে আমাদের জীবন যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি প্রতারণার ধরনও হয়ে উঠেছে আরো চতুর ও প্রযুক্তিনির্ভর। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে অনলাইন লোন বা ডিজিটাল ঋণ প্রদানকারী অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে।
বিএনপির বর্তমান সংশোধিত গঠনতন্ত্র এবং দেশের পরিবর্তিত আইনি ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের চেয়ারম্যান হতে গঠনতান্ত্রিক ও আইনি কোনো বাধা নেই। তবে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সম্মতি নিতে হবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খুব কম ব্যক্তিত্ব আছেন, যাঁদের জীবন কেবল ক্ষমতার শীর্ষে ওঠানামার গল্প নয়—বরং রাষ্ট্র, সমাজ ও মানবাধিকারের প্রশ্নের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বেগম খালেদা জিয়া তেমনই একজন। গৃহবধূ থেকে রাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, আবার দীর্ঘদিনের কারাবন্দী রাজনীতিক—এই তিনটি পরিচয়ই তাঁর জীবনে বাস্তব।
২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর যখন 'জাতীয় নাগরিক পার্টি' (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ করে, তখন তাদের স্লোগান ছিল—জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্পিরিট এবং নতুন ধারার রাজনীতি। কিন্তু মাত্র কয়েকমাসের ব্যবধানে ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে দলটি এখন তার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভাঙনের মুখে। ৩০০ আসনে একক প্রার্থী দেওয়ার যে হুঙ্কার দিয়ে এনসিপি যাত্রা শুরু করেছিল,
দেশের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদে সোচ্চার হিন্দু সংগঠনগুলি। একটাই দাবি "হিন্দু রক্ত কি এক এক বুন্দ কা হিসাব চাহিয়ে", অর্থাৎ হিন্দু রক্তের প্রতিটি বিন্দুর হিসেব চাই। সোচ্চার প্রতিবাদের সংগঠক বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল। ভারতে হিন্দু সংগঠনগুলির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসার কারণ, গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশের ময়মনসিংহের স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে গণপিটুনিতে নৃশংস হত্যার ঘটনা।
বাস্তবতা হলো, বিশ্বের কোনো দেশ তাঁর এই দুর্দিনে পাশে না দাঁড়ানোয় শেখ হাসিনা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একটি হিন্দু-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই থাকতে বাধ্য হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে ভারতের সনাতনী হিন্দু সমাজের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করাই কি তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত নয়?