ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের দাবি, ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর রাজধানী কিয়েভে এটিই সবচেয়ে বড় ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন।
তিনি মিত্র দেশগুলোর কাছে ইউক্রেনের জন্য আরও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের আহ্বান জানান।
ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাশিয়ার এ হামলা বন্ধে দেশটির ওপর আরও কঠোর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটের কিছু পর শুরু হওয়া কয়েক ঘণ্টাব্যাপী এ হামলায় রাশিয়া ৪১টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২৫টি ড্রোন ব্যবহার করে।
বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১০০টির বেশি ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হলেও কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রায় ২০টি স্থানে আঘাত হানে। এসব হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল রাজধানী কিয়েভ।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, হামলায় প্রায় অর্ধশত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।
রাশিয়ার এ হামলার একদিন আগে ইউক্রেন মস্কো ও তাম্বভ অঞ্চলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব