শুক্রবারও পাকিস্তান নতুন করে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর, পাঞ্জাব এবং রাজস্থানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ড্রোন ব্যবহার এবং ভারী কামান হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জম্মু ও কাশ্মীরের জম্মু, সাম্বা ও রাজৌরি, পাঞ্জাবের পাঠানকোট ও অমৃতসর এবং রাজস্থানের পোখরান অঞ্চলের দিকে পরপর ড্রোন পাঠানো হয়েছে
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী।
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার ও অসামরিক উড়ান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে দেশটির ২০টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে, যার মধ্যে অন্যতম কলকাতা বিমানবন্দর।
টনাটি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন (এটিপিএসওএম) ২০০৭-এর অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানায় পুলিশ
এদিকে সিএনএন’র এক খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরের একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেছেন, নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) কাছে বসবাসকারীদের জন্য চরম আতঙ্কে দিন কাটছে। বুধবার থেকে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাতের অন্যতম প্রধান উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ রেখা।
ওই সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ভারতের পাঠানো ইসরায়েলি তৈরি হারপ ড্রোনগুলো করাচি ও লাহোরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করে। ইসরায়েলের তৈরি হারপ ড্রোন ব্যবহার ভারতের হতাশা ও আতঙ্কের বহিঃপ্রকাশ।
সংবিধান নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সরাসরি লঙ্ঘন করে ভারত সরকার ‘দ্য ওয়্যার’ অনলাইন সংবাদ পোর্টালের ওয়েবসাইট সারাদেশে ব্লক করে দিয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি জানিয়েছে যে, তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০-এর আওতায় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারতের পাঠানো ৩০টি ইসরায়েলি নির্মিত কামিকাজে ড্রোন আটক ও ধ্বংস করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী...................................
ভারত পুরো দেশে সক্রিয় সকল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মকে পাকিস্তানে তৈরি কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে বলেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল উত্তেজনার সর্বশেষ বহিঃপ্রকাশ। বৃহস্পতিবার (৮ মে) ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এটি ওটিটি, মিডিয়া স্ট্রিমিং ও পডকাস্ট সহ সমস্ত ডিজিটাল মাধ্যমের জন্য প্রযোজ্য।
এই সময়ে দখলদার বাহিনী ১২ হাজারের বেশি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, অঞ্চলটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিখোঁজ ১১ হাজারের বেশি মানুষসহ সব মিলিয়ে ৬২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে