পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার পশ্চিমবঙ্গে পদ্মফুল ফুটেছে বলে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার মাঝেই রাজ্যের নানা প্রান্তে তৃণমূল কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাঁকুড়ার কোতুলপুরে তৃণমূল কার্যালয়ের চালে উঠে বিজেপির পতাকা লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো জয়ের পথে রয়েছে বিজেপি। এখন পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকেল ৬টা) গণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে আছে ২০৩ আসনে। আর ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ৮৪ আসনে এগিয়ে। অর্থাৎ বড় পরাজয়ের মুখে আছে তৃণমূল।
সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালির নিকটে যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজটিকে থা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই সহিংসতার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ব্যারাকপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সুবোধ অধিকারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির এক কাউন্টিং এজেন্টের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪টি আসনের মধ্যে ফলতার ১ টি আসন ব্যতিত বাকি ২৯৩ আসনের ভোট গণনা চলছে। ইতোমধ্যে বেসরকারিভাবে সামনে আসনে ভোটের ফলাফল। জানা গেছে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অপরদিকে নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এগিয়ে আছে ১৯৮টি আসনে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট আজ সোমবার গণনা করা হচ্ছে। গণনা করা ভোটের প্রাথমিক প্রবণতায় বিরোধী দল বিজেপি এগিয়ে আছে। পিছিয়ে আছে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল। এই প্রেক্ষাপটে বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে বিজয়ের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জড়ো হচ্ছেন নেতা-কর্মীরা। সেখানে যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।
মার্কিন নৌবাহিনীকে ‘জলদস্যু’ আখ্যা দিয়ে হরমুজ প্রণালিকে তাদের জন্য ‘কবরস্থান’ বানানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব ও সাবেক আইআরজিসি কমান্ডার মোহসেন রেজায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এ মন্তব্য করেন।
তাইওয়ান ও চীনের কূটনৈতিক উত্তেজনা ফের প্রকাশ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে। আফ্রিকার দেশ কিংডম অব ইসওয়াতিনিতে প্রেসিডেন্ট লাই চিং–তের সফরকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কড়া ভাষার পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। চীন প্রেসিডেন্ট লাইকে ‘ইঁদুর’ আখ্যা দিলে, তার জবাবে তাইওয়ান চীনের কর্মকর্তাদের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং বিশ্ব অর্থনীতির টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে শান্তির পথে নতুন এক কূটনৈতিক মোড় নিয়েছে ইরান। মার্কিন সামরিক আধিপত্যের সীমাবদ্ধতা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন ১৪ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পেশ করে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে একটি বড় ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতির খবর এখন আলোচনার কেন্দ্রে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া ৯ দফার একটি পাল্টা প্রস্তাব ওয়াশিংটনের কাছে পাঠিয়েছে। তেহরানের এই ১৪ দফার প্রস্তাবে মূল লক্ষ্য রাখা হয়েছে শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, বরং ‘যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি’। তেহরান চাইছে, একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চিরতরে বন্ধ হোক।
হরমুজ প্রণালীতে চলমান উত্তেজনা এখন এক অদ্ভুত ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ মোড় নিয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘস্থায়ী মার্কিন নৌ-অবরোধে পিষ্ট ইরান এখন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোকাবিলায় ‘মাইনবাহী ডলফিন’ ব্যবহারের কথা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।
বৈশ্বিক অটোমোবাইল বাজারে দামের এক বিশাল ব্যবধান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে একটি নতুন গাড়ির গড় দামে চীনে বর্তমানে একাধিক উন্নত প্রযুক্তির বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) কেনা সম্ভব হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে
সৌদি আরব ও ওমানকে ইরান জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘চূর্ণবিচূর্ণ’ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে তারা। ওয়াল স্টিট জার্নালের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ইরানের বিরদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে এ পরিকল্পনা করছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যেসব অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইরানের ভূখণ্ডে পড়েছিল, সেগুলোকে তেহরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করছে ইরানি গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকরা।